শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন

শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন
অর্জুন তোমার আমার বহুবার জন্ম হয়েছে। সে কথা তোমার মনে নেই, সবই আমার মনে আছে।

Thursday, August 30, 2012

জল চিকিত্‍সা পদ্ধতি


জল চিকিত্‍সা পদ্ধতি

দীপিকা চক্রবর্তী

ভারতে বৈদিক যুগ থেকেই মুনি ঋষিরা শরীর সুস্হ রাখার জন্য প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে জলপান করে অবগাহন স্নান করতেন।পরবর্তীতে এই নিয়ম শিথিল হয়ে গেছে মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায়।

এখন আবার প্রাচীন ভারতের "বিনা ওষুধে চিকিত্‍সাপদ্ধতি", "Alternative system of medicine"নামে বিভিন্ন দেশে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।
ওষুধের বিষক্রিয়া,শরীরের নানা জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য "Japanese Sickness Assocition",সারাবিশ্বে প্রচলিত পদ্ধতি,জল চিকিত্‍সা পদ্ধতির গুণাগুণ গবেষণা করেছেন।জল চিকিত্‍সা পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁরা নিম্নলিখিত রোগ গুলোর নিরাময় বা কিছু ক্ষেত্রে রোগাবস্হার উন্নতি লক্ষ্য করেছেন :

তীব্র মাথার যন্ত্রণা,রক্তচাপ,রক্তাল্পতা বা এনিমিয়া,বাতজনিত রোগ,পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস,মেদবৃদ্ধি,হৃদযন্ত্রের রোগ,পুরনো কাশি,ব্রঙ্কাইটিস,টিউবারকুলোসিস,মেনিনজাইটিস,লিভার কিডনী ও প্রোস্টেট সংক্রান্ত নানা রোগ,আমাশয়,কোষ্ঠকাঠিন্য বা কনস্টিপেশন,পাইলস্ বা অর্শ,ফিস্টুলা,চোখ কান ও নাকের কিছু রোগ,স্ত্রীরোগ ও বিভিন্ন চর্মরোগ।

জল চিকিত্‍সা পদ্ধতির সারাংশটুকু নিম্নে তুলে ধরছি:

১.ঘুম থেকে উঠে দাঁত না মেজে,মুখ পরিষ্কার না করে ধীরে ধীরে,শান্তভাবে একবার ১.২৬০ লিটার অর্থাত্‍ বড় গ্লাসের চার গ্লাস জল পান করুন।তাড়াহুড়ো করবেন না।
সমঃ সমং শময়তি,বিষস্য বিষমৌধম,এই সদৃশ বিধান ই জল চিকিত্‍সার প্রধান অঙ্গ।সুতরাং মনে রাখতে হবে,জল পান করতে হবে সকালে মুখ ধোয়ার আগে।

২.জল পান করার পর ৪৫ মিনিট কোন তরল বা শক্ত খাদ্য গ্রহণ করা যাবেনা।ধূমপান করা যাবেনা।

৩.প্রাতঃরাশ,দুপুর ও রাতের খাবার খাওয়ার সময় জল খাবেন না।খুব বেশি অসুবিধা হলে দু এক চামচ জল খেতে পারেন।

৪.খাওয়ার পর দুঘন্টা পর্যন্ত জল পান করা যাবেনা।দুঘন্টা পর ইচ্ছামত জল পান করা যাবে।

৫.দুপুরে বা রাতে খাওয়ার অন্তত আধঘন্টা পর শুতে যাবেন।ঘুমাবার আধ ঘন্টা পূর্ব থেকে আর কিছু খাওয়া যাবেনা।অসুবিধা হলে দু তিন চামচ জল খাবেন।

৬.যাঁরা দুর্বল বা অসুস্হ তাঁরা প্রথম থেকে সুবিধামত এক বা দুই বা তিন গ্লাস জল খেয়ে চিকিত্‍সা শুরু করুন।পরে অবশ্য ই চারগ্লাস খেতে হবে।

৭.সুস্হ,অসুস্হ নির্বিশেষে সবাই এই চিকিত্‍সা করতে পারেন।

এই চিকিত্‍সায় নিম্নলিখিত রোগসমূহের শান্তিপূর্ণ নিরাময় পাওয়া গেছেঃ কোষ্ঠকাঠিন্যঃ ১০দিন পর
গ্যাস্ট্রিক সমস্যাঃ ১০দিন
উচ্চরক্তচাপঃ ১মাস
ডায়বেটিসঃ ১মাস
যক্ষ্মারোগঃ ৩মাস
চোখ,কান,নাক এর রোগঃ ৩মাস
প্রোস্টেট গ্রন্থির আকার বৃদ্ধিঃ ৩মাস
চর্মরোগঃ ১বছর

দৃঢ়তা,আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে
এই পদ্ধতি গ্রহণ করুন।জীবনে শৃঙ্খলা আসবে,নিজের প্রতি আস্হা ও বিশ্বাস আসবে এবং নিয়মানুবর্তী হতে পারবেন।

Tuesday, August 21, 2012

মৌলভী মেহবুব আলী কিভাবে পন্ডিত মহেন্দ্রপাল আর্য হলেন?







এই গল্প হচ্ছে ভারতের উওর প্রদেশের বাড়ুয়াত নামক কোন অঞ্চলের বাডি মসজিদের একজন বাঙ্গালী ঈমামের যার নাম মৌলভী মেহবুব আলী
। এই গল্প কোন গল্প নয় চন্দ্র সুর্যের মতো সত্য ঘটনা। 

মৌলভী মেহবুব আলী সাহেব ঈমাম হিসেবে কুরানের শিক্ষা অনুযায়ী বিশ্বসীদের দিক নির্দেশনা দিতেন। তিনি তার এলাকার হিন্দু মুসলীম সব প্রতিবেশীদের মাঝেই প্রিয়জন ভাজন ছিলেন। দেরীতে ঘুম থেকে ওঠার জন্য তিনি অনেককে মৃদু ভৎসর্না করতেন এই বলে যে যেখানে প্রানীকূলের সামান্য পাখী যারা মানুষের চাইতে অনেক কম উন্নত মানে হয়েও ভোর সকালে ঘুম থেকে ঊঠেই কিচির মচির করে সেখানে তুমি আশরাফুল মাখলুকাত হয়েও এখনো ঘুমোচ্ছো। "মুসলীমদের এখন উচিত মসজিদে থাকা আর হিন্দুদের উচিত তাদের সৃষ্টি কর্তাকে ধন্যবাদ দেয়া। তিনি মানুষকে জীবন দান করেছেন তাদের সময় নষ্ট করার জন্য নয়।" উত্তর প্রদেশের বাঘপাত জেলার বাডিয়াতে ঐ মসজিদকে ঘিরে যত প্রতিবেশী ছিল সবাই মৌলভীকে সম্মান শ্রদ্ধা করত। 

এভাবেই অনেকগুলো বছর কেটে গেল। তিনি বেশ ধর্য্য ও নিষ্ঠার সাথেই তার দ্বায়িতগুলো পালন করছিলেন। ইসলামী শিক্ষার উপর তার ছিল স্নাতক ডিগ্রী যা তার জন্য এক বিশ্বস্ত বর্ম হিসেবেই কাজ করেছিল। তিনি পৃথিবীর অন্যন্যা মুসলীমদের মতো বিশ্বাস করতেন কুরানের সমস্ত উপদেশ ও আদেশগুলো স্বয়ং আল্লাহ্‌র। প্রত্যককে অবশ্যই তাদের নিজের জীবনকে কুরানের আলোকে চালিত করতে হবে এবং কুরানে সমস্ত নির্দেশগুলো মেনে চলতে হবে তাহলে কেউ আর ভূল করতে পারবে না। ১৯৮৩ সালে শীতকালে এই মিষ্টভাষী ভদ্র ইমামের সাথে গুরুকুল ইন্দ্রপ্রসাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান শিক্ষক শ্রী কৃষ্ণা পাল সিং এর সাক্ষাৎ হয়। যখন মৌলভী সাহেব কুরানের উপর উপস্থিত বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তখন শ্রী কৃষ্ণা পাল সিং হাসছিলেন এবং তারপরেই বললেন "মৌলভী সাহেব আপনি কি আমার গুরুকুল ইন্দ্রপ্রসাদের আতিথ্য গ্রহন করবেন?" মৌলভী সাহেব তার নেমতন্ন গ্রহন করলেন কারন তিনি বেশীর ভাগ বাঙ্গালীদের মত গোঁড়ামী মুক্ত ছিলেন। সন্ধ্যে বেলা তিনি গুরুকুলে পৌঁছান। তার নিমন্ত্রনকারী গুরুকুলের একটি ছিমছাম পরিস্কার পরিছন্ন কামরায় তার থাকার ব্যাবস্থা করলেন। মাগরিবে আযানের ওয়াক্ত হয়ে গেল। তিনি অযু সেরে সেই কামরায় নামায আদায় করে কামরা থেকে বের হলেন। তিনি তখন দেখলেন গুরু, শিষ্য ও দর্শনার্থিরা বৈদ্যিক যোগাসন করছে আবার কেউ কেউ সান্ধ্যকৃত্য করছে। 

পরে বৈদ্যিক বিষয়ের উপর বক্তৃতা দেয়া হলো ও খাবার পরিবেশন করা হলো। নামায পড়ার প্রস্তুতির পূর্বে তিনি কৃষ্ণা পাল সিং এর সাথে রাতের খাবার খেলেন। কৃষ্ণা পাল সিং মৌলভী সাহেবকে গুরুকুলের অনেকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাকে গুরুকুলের মন্ত্রী ধর্মবীর এবং সন্যাসী স্বামী শক্তিভিবেসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। "আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কি মৌলভী সাহেব?" সন্ন্যাসী প্রশ্ন করলেন। "মানুষ যেন শয়তানের ফাঁদে পা না দেয় সেজন্য তাকেসর্তক করা এবং সঠিক পথে চলার নেয়ামত বাতলে দেয়া।" উওরে মৌলভী সাহেব বললেন। " আমরাও একই কাজ করছি এবং প্রকৃত পক্ষে আমাদের আর্যদেরও একই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আপনার কি মনে হয়ে কেন আমরা এক সাথে কাজ করছি না?" স্বামীজী প্রশ্ন করলেন। উওরে মৌলভী সাহেব বললেন "আমি জানি না। আমাকে ভাবতে দিন।" তিনি পরেরদিন ভোর ৪টায় উঠলেন এবং যথারীতি তার নামায পড়লেন। ঘর থেকে বেরিয়েই তিনি দেখলেন ছাত্ররা শরীর চর্চা করছে। তিনি শিক্ষকদের সাথে দেখা করলেন। ইসলাম সহ আধ্যাত্মিকতার অনেক বিষয় নিয়ে তিনি তাদের সাথে আলোচনা করলেন। মৌলভী সাহেব ইসলাম ব্যতীত অন্যন্যা ধর্মের দর্শন গুলো চিন্তা করেননি এবগ তিনি উপসংহারে বললেন যে অন্যনা ধর্মের রীতিনীতি প্রথা যুক্ত করা ব্যাপারে কুরান কোন কিছুই বলেনি। " আমার জানা ছিল না আমার এই ছোট কুয়োর বাইরেও জগত আছে। স্বামী বিবেকানন্দ খুব সম্ভবত আমার মত লোকের কথা চিন্তা করে তিনি বলেছিলেন যে সমুদ্রের বিশালতা ব্যাঙ্গের মনের চাইতে অনেক বড়, যে ব্যাঙের চিন্তা ছোট্ট কুয়োর মধ্যেই সীমাবদ্ধ" -এতেই সমস্ত আর্যরা হেসে উঠলেন। 

গুরুকুল ছেড়ে যাবার সময় শ্রী ধর্মবীর তাকে স্বামী দয়ানন্ন্দ স্বরসতীর "সত্য প্রকাশ" এর একটি উর্দু সংকলন তাকে দিলেন। মৌলভী সাহেব বাড়ুয়াত গামী বাসে বসে বইটির পাতা উল্টাতে লাগলেন তখন তার চোখে পড়ল চৌদ্দতম অধ্যায়টির উপর যার বিষয় বস্তু হচ্ছে কোরান। গেরুয়া কাপড়ে মোড়ানো এই রকম এক সন্ন্যাসী তাঁর পবিত্র গ্রন্থের আয়াত লিপবদ্ধ করেছেন দেখে তিনি দারুন বিষ্মিত হলেন। "আমার জীবনে সেদিন আমি প্রচন্ড এক ধাক্কা খেয়েছিলাম। বইটির উপর কাফের সন্যাসীর ছবি ছিল আর ভেতরে কুরানের আয়াত" স্বামী দয়ানন্দের এই গ্রন্থটি কুরান এবং এর দাবীগুলো নিয়ে আলোকপাত করেছেন আমাদের সনাতন বৈদ্যিক প্রথার আলোকে। গ্রন্থটি ভারতের প্রায় সব ভাষাতেই অনুবাদ করা হয়েছে। কুরানে লেখা আছে "যেখানেই তুমি ঘোর না কেন সেখানে আল্লাহ্‌র মুখ থাকবে (২:১০৯)" স্বামীজী "সত্য প্রকাশ" বইটিতে প্রশ্ন করেছেন " যদি এই কথাই সত্য হয়ে তাহলে মোহাম্মদ কেন কেবলার(মক্কার পবিত্র মসজিদ) দিকে যাত্রা করেছিলেন? এখন তর্কের খাতিরে বলা হলো তাকে সেটা করার আদেশ ছিল তাই তিনি সেটা করেছেন তাহলে এর প্রতিউত্তর আসবে তাকেতো যেকোন দিকে তার ইচ্ছে মত মুখ ঘুরাবার অনুমোতিও তো দেয়া হয়েছিল। এ বক্তব্য পরস্পর বিরোধী তাহলে কোনটাকে সত্য হিসেবে ধরে নেব। আবার যদি আল্লাহ্‌র মুখ থাকে তাহলে তিনি কেবল একই সময় এক দিকেই মুখ করে থাকতে পারবেন সব দিকে নয়।" "সত্য প্রকাশ" গ্রন্থে চৌদ্দতম অধ্যায়ে প্রায় ৩০,০০০ শব্দে বেদের আলোকে কুরানের সমস্ত দাবীগুলোকে গুড়িয়ে দিয়েছে এবং কোটি কোটি মুসলীমের পবিত্র গ্রন্থ কুরানের অধারাবাহিকতা, অতিরঞ্জন ও বৈজ্ঞানিক ভূলগুলোকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন সেই গেরু কাপড়ে ঢাকা সন্ন্যাসটি।

বইটি মৌলভী মেহবুব আলীর মনে ব্যাপক নাড়া দিয়েছিল। তিনি বলেন " এই সকল প্রশ্নের কোন উওরই আমার কাছে ছিলনা। তাঁর যুক্তিগুলো কোন ভূলই আমি খুঁজে পাইনি। তাঁর প্রতিটি ক্ষুরধার যুক্তিগুলো আমার সমস্ত বিশ্বাসকে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলছিল। স্বামী দয়ানন্দ স্বরসতীর রচিত "সত্য প্রকাশ" অন্ধকারের আমার হাত ধরেছিল এবং অন্ধকার থেকে আমাকে আলোতে নিয়ে এসেছিল যে অন্ধকার আমার মনকে ঘিরে রেখেছিল" বইটি পড়ার সময় মৌলভী সাহেব কতগুলো প্রশ্ন ও সন্দেহের তালিকা তৈরী করলেন যা তার মনকে পীড়া দিচ্ছিল। সেই সন্দেহের প্রশ্নগুলো তিনি সেই সময়কার ২৫ জন মুফতিকে(Islamic Scholar) চিঠির মাধ্যমের জানিয়ে ছিলেন। কুরান যদি যর্থাত দিক নির্দেশনা হয় তাহলে অবশ্যই এই উওরগুলিও আসবে। " আমি তাদের সবাইকে অনুরোধ করে বলেছিলাম যে আমার অভিপ্রায় নিয়ে প্রশ্ন না তুলে আমার জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন গুলির উত্তর দিয়ে আমার মনকে তৃপ্ত করবেন। আমি জানার জন্যই প্রশ্ন করেছি। " তিনি আরও বললেন "শুধু মাত্র সাতজন আমাকে চিঠির উওর দিয়ে বললেন যে তুমি এই সকল প্রশ্নের উওর আশা করতে পারি না কারন কুরানের সত্যতা ও প্রবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন করার মাত্রই তুমি আল্লাহ্‌ ও নবীজির চোখে ধর্ম ভ্রষ্ট হয়ে গেছো। " মৌলভী মেহবুব আলীর মনে যে সকল প্রশ্ন জেগে ছিল কোন মাওলানা বা কোন ইসলামিক বিশেষজ্ঞ তার কোন উওরই দিতে পারেনি। তারপরে আত্মার সন্ধানের জন্য তিনি বেদ সমগ্র অধ্যায়ন শুরু করলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি ধর্মত্যাগী হবে। তিনি ইসলামকে ছেড়ে বৈদ্যিক ধর্ম সনাতনকে আলিঙ্গন করলেন। "১৯৮৩ সালে আমি শুদ্ধি নিয়েছি এবং আমার পূর্বপুরুষের ধর্মীয় ঐতিহ্য আমি ফিরে পাই বৈদ্যিক আর্যাবত হিসেবে" তিনি এখন আমাদের সনাতন ধর্মের একজন অত্যন্ত জ্ঞানী পন্ডিত যার নাম পন্ডিত মহেন্দ্রপাল আর্য। 

গত ২৯ বছর ধরে তিনি অনেক পথহারা মুসলীমকে ঘরে ফিরিয়ে এনেছেন। তিনি বলেন " আমি প্রধানত ইসলামিক স্কলারদের লক্ষ্য করি এবং এ যাবতকাল সফলতার সহিত প্রায় ১৫,০০০ কে ফিরিয়ে এনেছি বৈদ্যিক বিশ্বাসে। আমি মহাঋষী দয়ানন্দ স্বরসতী ও বেদের শিক্ষায় সুসজ্জিত যা যুক্তি সঙ্গত, মানবিক, সকল বিতর্কের উর্দ্ধে এবং অবশ্যই বৈজ্ঞানিক ভাবে নির্ভূল।" হালের মুসলীমদের মাঝে জনপ্রিয় মৌলবাদী ওয়াহাবি প্রচারক জাকির নায়েককে তিনি ইসলামিক যেকোন বিষয় নিয়ে তার সাথে বিতর্ক (Debate) করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। " নায়েক নিজেকে Comparative Religions-এর একজন ছাত্র মনে করে এবং সবর্দা বেদ ও বেদ সাহিত্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি মুম্বাইয়ের ডুংরিতে সুসজ্জিত একটি অফিস দক্ষ কর্মচারীদের দ্বারা চালান এবং যার একমাত্র লক্ষ্যই হচ্ছে সেসব অমুসলীম যাদের জ্ঞান একেবারেই কম তাদের Misleadকরা মানে ভূল পথে চালিত করে তাদের ধর্মান্তরিত করে মুসলীম বানানো "
একদা মৌলভী বর্তমানে বৈদ্যিক পন্ডিত বলেন হিন্দুরা এখন খুবই বিশৃংখল এবং কুসংস্কারে ডুবে আছে। যখন দুষ্টের দলেরা তাদের শঠ কৌশলের মাধ্যমে আমাদের আক্রমন করে তখনও তাদের ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়। এখন সময় এসে গেছে জেগে উঠবার এবং সকল ভাই বোনদের বৈদ্যিক আশ্রয়ে ফিরে আসার সাদরের আমন্ত্রন জানার জন্য শুদ্ধিকে পুনর্জীবিত করতে হবে।"

এই মহৎ প্রানের বক্তব্য অনুযায়ী আমরা এতই বিশৃংখল যে এমন একজনকে আমরা খুবই কম সনাতনীরা চিনি বা জানি। অথচ এই রকম ব্যাক্তি অন্যের সম্প্রদায়ের থাকলে তাকে নিয়ে সবাই কতই না হৈ চৈ করত সেটা সামান্য জাকির নায়েককে নিয়ে মুসলীমদের লাফালাফি দেখেই বোঝা যায়। কিন্তু আর নয়, আমরা তরুন প্রজন্ম এবার জেগে উঠবোই। বাংলার প্রতিটি ঘরে সত্যকে পৌঁছে দেয়াই হচ্ছে আজকে আমাদের সনাতনের অঙ্গীকার। 

ধন্যবাদান্তে

হেমন্ত কুমার মজুমদার

Saturday, August 18, 2012

চিরিরবন্দরের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় হিন্দুসম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতনের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চ। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া গেছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাজধানীর টেনিস কমপ্লেক্সে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পড়েন সংগঠনের সদস্যসচিব অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ তালুকদার।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণঐক্যের আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক অজয় রায়, অসিত বরণ রায়, মোহাম্মদ নোমান প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চিরিরবন্দর উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বলাইবাজারে হিন্দুসম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত-সমর্থক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আফতাবউদ্দিন মোল্লার সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুজন নারীর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, জামায়াত এর আগেও চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরাসহ দেশের কয়েকটি স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়েছে।
এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করা হয়েছে মঞ্চের পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন এবং প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত-সমর্থকদের চিহ্নিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চিরিরবন্দরে একটি মসজিদ নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৪ আগস্ট শনিবার হিন্দুসম্প্রদায়ের ৩০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় হামলায় অন্তত ৫০ জন নারী-পুরুষ আহত হন। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রশিদুল মোন্নাফ কবীরকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল মালেককে প্রধান করে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত সেই কমিটি কোনো প্রতিবেদন দেয়নি।

পবিত্র বেদ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা

Niloy Arya 



বেদ-সনাতন সমাজের মুল ভিত্তি
, সর্ব্বোচ্চ এবং অলঙ্ঘনীয় ধর্মগ্রন্থ। হিন্দু আইনশাস্ত্র মতে নিত্য এবং অবশ্যপাঠ্য।কয়েক শতক আগেও বেদ শব্দটি ছিল প্রতিটি হিন্দুর প্রাত্যাহিক জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।কিন্তু সময়ের বিবর্তনে,অজ্ঞান তার করালগ্রাসে, ঔপনিবেশিকদের চক্রান্তে,তথাকথ িত ধর্মপ্রচারক তথা ধর্মব্যবসায়ীদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে আমরা আজ মহান বেদ এর পথ থেকে বিভ্রান্ত।ফলস্ব রুপ আমরা আজ জাতি হিসেবে এক ক্রান্তিকা
লে দাড়িয়ে।জ্ঞানের অভাবে নিত্যনৈমিত্তিক হিসাবে অন্যধর্মালম্বীদ ের কাছে অপমানের স্বীকার তো বটেই,নিজেদের প্রতিদিনকার জীবনযাপনেও অজ্ঞতার গ্লানিবয়ে নিয়ে চলেছি নিরন্তর।তাই আজকে কয়েকটি অপপ্রচার ও ভুল ধারনা নিয়ে কথা বলব।
১/এই কলিযুগে বেদ সাধারন মানুষের পক্ষে বেদ পরা সম্ভব নয় অথবা বেদ পরার পবিত্রতা মানুষের নেই এরকম একটা কথা অনেকেই প্রচার করেথাকেন।তারা আরও বলেন যে বেদবিহিত কর্মসমুহ কলিযুগের মানুষের পক্ষে মানা সম্ভব নয়।আসলেই কি তাই?
প্রথমেই দেখি বেদ কি বলেছে-
" পুরো মহাবিশ্ব পাল্টে যেতে পারে,কিন্তু মহাবিশ্বের সংবিধান বেদ সকল কালের জন্য প্রযোজ্য যাসর্বদা অপরিবর্তিত থাকবে"
ঋগবেদ ১/৯০/২
মনিষীরা কি বলেছেন একটু শুনি-
"
বেদ হচ্ছে সকল সত্য জ্ঞানের উত্‍স।মহাকর্ষ শক্তি যেমন তা আবিস্কারের আগেও বিদ্যমান ছিল তেমনি মানবজাতি যদি এটা ভুলেও যায়তারপরও এটা অপরিবর্তিতভাবেব িদ্যমান থাকবে।ঠিক তেমনি বেদ"
(
স্বামী বিবেকানন্দ,Comp lete work,vol 1,paper on Hinduism)
Swami Dayanand Saraswati
যিনি কিনা প্রথম বেদের সম্পূর্ন সঠিক আধ্যাত্মিক অনুবাদ এর জন্য খ্যত এবং অপরাজেয় বিতার্কিক তিনি বলেছিলেন-"বেদ হল একমাত্র ধর্মগ্রন্থ যা সকল যুগের জন্য একেবারে সুবিধাজনকভাবে প্রযোজ্য।"
যেখানে বেদ বলছে এটা সব যুগের জন্য প্রযোজ্য সেখানে কতিপয় জ্ঞানপাপীর এহেন আচরন সন্দেহজনক।
এবার আমরা আসি বাস্তবিক যুক্তি প্রয়োগে।ঈশ্বর হলেনত্রিকালজ্ঞ অর্থাত্‍ যিনি অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যত্‍ সব জানেন।তাহলে তার পক্ষে কেন সম্ভব হবেনা এমন কোন গ্রন্থ প্রেরন করা যা সর্বযুগের মানুষের জন্য প্রযোজ্য?তাছাড়া এসব অবান্তর যুক্তি যারা পেশ করেন তারা নিজেরা কি কখনও বেদ পড়েছেন তাদের কথার সত্যতা যাচাই এর জন্য?তাদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি,পারলে বেদের এমন কোন নিয়ম দেখান যা বর্তমান যুগের জন্য প্রযোজ্য নয়।বরং এটা কলি যুগে আরও বেশি প্রয়োজন কারন বেদের কর্মকান্ড প্রতিদিনের নিত্যকর্মাদি,বি জ্ঞান,আইন,অর্থন ীতি, রাজনীতি ব্যখ্যা করেছে যা সত্য যুগের তুলনায় কলি যুগেই বেশী দরকার।আরেকটি প্রশ্ন করেন তারা বেদের বৃহত্‍ কলেবর নিয়ে যেটা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন।কারন বৈদিক যুগেও এমন খুব কম লোকই ছিলেন যারা সব কটা বেদজানতেন।কেউ বা একটা,কেউ বা দুটা,কেউ তিনটা,কেউবা চারটাই জানতেন যাদের যথাক্রমে একবেদী,দ্বিবেদী ,ত্রিবেদী ও চতুর্বেদী বলা হত।তবে ত্রিবেদী ও চতুর্বেদী ছিল হাতে গোনা।একবেদী রা ই ছিল সর্ব্বোচ্চ।আর তাছাড়া কেউ ই আপনাকে বেদ মুখস্ত করতে বলছেনা।আর এ ধরনের প্রচারকারীদের মধ্যে অনেকেই বলেন শ্রীমদভাগবত পড়ার কথা!!!এখন আপনারা ই বলুন,যেখানে যজুর্বেদ এর মন্ত্রসংখ্যা ২০০০ সেখানে এর বদলে এর কয়েকগুন বড় একটাপুরান কলেবরের দোহাই দিয়ে পরতে বলাটা কতটুকু যৌক্তিক?ঈশ্বর ই জানেন
২//
এখন আসি পবিত্রতার বিষয়ে।অনেকেই বলেন বেদপাঠ করার মত পবিত্রতা কলিযুগের মানুষের নেই।কথাটা যে কি পরিমান ভিত্তিহীন তা একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়।প্রথমেই আসি হিন্দু আইনশাস্ত্র মনুসংহিতা তে।
মনুসংহিতা ১/৮৫
"
চারযুগে(সত্য,ত ্রেতা, দ্বাপর,কলি)দায়ি ত্বের রকমভেদ রয়েছে কারন প্রতি যুগে মানুষের আয়ু হ্রাস পাচ্ছে"
১/৮৬
"
সত্য যুগে ধ্যন ত্রেতায় জ্ঞান দ্বাপর এ যজ্ঞাদি ও কলিতে মোক্ষ(হরিনাম এর একমাত্র উপায় এ কথা কোথাও ইবলা হয়নি।হরিনাম খুব ই পবিত্র সন্দেহ নেই কিন্তু শুধু হরিনাম করলেই মোক্ষ লাভ হয়না)
১/৮৭
"
কিন্তু মহাবিশ্বের ভারসাম্য রক্ষার্থে সবসময় ই চার ধরনের পেশা ভাগ করা হয়েছে"
১/৮৮
"
ব্রাক্ষ্মনরা নিজ স্বার্থত্যগ করে কাজ করবে,বেদ পরবেএবং তা অপরকে শেখাবে"
১/৮৯
"
ক্ষত্রিয়রা বেদ পরবে,লোকরক্ষা ও রাজ্যপরিচালনায় নিযুক্ত থাকবে"
১/৯০
"
বৈশ্যরা বেদ পরবে,ব্যবসা ওকৃষিকর্মে নিজেদের নিযুক্তকরবে"
১/৯১
"
শুদ্ররা বেদ পাঠ করবে এবং সেবামুলক কর্মকান্ডে নিযুক্ত থাকবে"
তাহলে কি স্পষ্ট হল?প্রতিযুগে কর্তব্য পালটাবে ঠিক তবে বেদ সর্বযুগেই পরা আবশ্যক।আর যার বেদপাঠ এর ই পবিত্রতা নেই তার হরিনাম যা সবচেয়ে পবিত্র তা নেয়ার পবিত্রতা থাকবে কি করে?সবচেয়ে খারাপ,অপবিত্র লোকটিও নিজেকে বেদপাঠ এর মাধ্যমে জ্ঞানালোকে পরিপুর্ন করতে পারে।তাই তো পবিত্র বেদ এ ঘোষনা করা হয়েছে
"আমি মানবকল্যানে যে বাণী তোমাদের দিয়েছি তা প্রচার কর ব্রাক্ষ্মন ক্ষত্রিয় বৈশ্য শুদ্র নারী পুরুষ পাপী পুন্যাত্মা নির্বিশেষে সকলকে"
যজুর্বেদ ২৬/২(চলবে)

Labels

বাংলা (170) বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন (22) ethnic-cleansing (17) ভারতীয় মুসলিমদের সন্ত্রাস (17) islamic bangladesh (13) ভারতে হিন্দু নির্যাতন (12) : bangladesh (11) হিন্দু নির্যাতন (11) সংখ্যালঘু নির্যাতন (9) সংখ্যালঘু (7) আরব ইসলামিক সাম্রাজ্যবাদ (6) minority (5) নোয়াখালী দাঙ্গা (5) হিন্দু (5) hindu (4) minor (4) নরেন্দ্র মোদী (4) বাংলাদেশ (4) বাংলাদেশী মুসলিম সন্ত্রাস (4) ভুলে যাওয়া ইতিহাস (4) love jihad (3) গুজরাট (3) বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন (3) বিজেপি (3) ভারতে অনুপ্রবেশ (3) মুসলিম বর্বরতা (3) হিন্দু নিধন (3) George Harrison (2) Julia Roberts (2) List of converts to Hinduism (2) bangladesh (2) কলকাতা (2) গুজরাট দাঙ্গা (2) বাবরী মসজিদ (2) মন্দির ধ্বংস (2) মুসলিম ছেলেদের ভালবাসার ফাঁদ (2) লাভ জিহাদ (2) শ্ত্রু সম্পত্তি আইন (2) সোমনাথ মন্দির (2) হিন্দু এক হও (2) হিন্দু মন্দির ধ্বংস (2) হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা (2) Bhola Massacre (1) English (1) april fool. মুসলিম মিথ্যাচার (1) converted hindu celebrity (1) converting into hindu (1) dharma (1) facebook (1) gonesh puja (1) gujrat (1) gujrat riot (1) jammu and kashmir (1) om (1) religion (1) roth yatra (1) salman khan (1) shib linga (1) shib lingam (1) swami vivekanada (1) swamiji (1) অউম (1) অক্ষরধাম মন্দিরে জঙ্গি হামলা ২০০২ (1) অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী (1) অর্পিত সম্পত্তি আইন (1) আওরঙ্গজেব (1) আদি শঙ্কর বা শঙ্করাচার্য (1) আর্য আক্রমণ তত্ত্ব (1) আসাম (1) ইতিহাস (1) ইয়াকুব মেমন (1) উত্তরপ্রদেশ (1) এপ্রিল ফুল (1) ওঁ (1) ওঁ কার (1) ওঁম (1) ওম (1) কবি ও সন্ন্যাসী (1) কাদের মোল্লা (1) কারিনা (1) কালীঘাট মন্দির (1) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (1) কৃষ্ণ জন্মস্থান (1) কেন একজন মুসলিম কোন অমুসলিমের বন্ধু হতে পারে না? (1) কেন মুসলিমরা জঙ্গি হচ্ছে (1) কেশব দেও মন্দির (1) খ্রিস্টান সন্ত্রাসবাদ (1) গনেশ পূজা (1) গুজরাটের জঙ্গি হামলা (1) জাতিগত নির্মূলীকরণ (1) জামাআ’তুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (1) জেএমবি (1) দেশের শত্রু (1) ধর্ম (1) ধর্মযুদ্ধ (1) নবদুর্গা (1) নববর্ষ (1) নালন্দা (1) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (1) নোয়াখালি (1) পঞ্চ দেবতার পূজা (1) পহেলা বৈশাখ (1) পহেলা বৈশাখ কি ১৪ এপ্রিল (1) পাকিস্তানী হিন্দু (1) পূজা (1) পূজা ও যজ্ঞ (1) পূজার পদধিত (1) পৌত্তলিকতা (1) ফেসবুক (1) বখতিয়ার খলজি (1) বরিশাল দাঙ্গা (1) বর্ণপ্রথা (1) বর্ণভেদ (1) বলিউড (1) বাঁশখালী (1) বিহার (1) বুদ্ধ কি নতুন ধর্ম প্রচার করেছেন (1) বৈদিক ধরম (1) বৌদ্ধ দর্শন (1) বৌদ্ধ ধর্ম (1) ভারত (1) মথুরা (1) মরিচঝাঁপি (1) মানব ধর্ম (1) মিনি পাকিস্তান (1) মীরাট (1) মুক্তমনা (1) মুক্তিযুদ্ধ (1) মুজাফফরনগর দাঙ্গা (1) মুম্বাই ১৯৯৩ (1) মুলতান সূর্য মন্দির (1) মুলায়ম সিং যাদব (1) মুসলিম তোষণ (1) মুসলিম ধর্ষক (1) মুসলিমদের পুড়ে মারার ভ্রান্ত গল্প (1) মুহাম্মদ বিন কাশিম (1) মূর্তি পুজা (1) যক্ষপ্রশ্ন (1) যাদব দাস (1) রথ যাত্রা (1) রথ যাত্রার ইতিহাস (1) রবি ঠাকুর ও স্বামীজী (1) রবি ঠাকুরের মা (1) রবীন্দ্রনাথ ও স্বামীজী (1) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1) রিলিজিওন (1) রুমি নাথ (1) শক্তিপীঠ (1) শঙ্করাচার্য (1) শিব লিংগ (1) শিব লিঙ্গ (1) শিব লিঙ্গ নিয়ে অপপ্রচার (1) শ্রীকৃষ্ণ (1) সনাতন ধর্ম (1) সনাতনে আগমন (1) সাইফুরস কোচিং (1) সালমান খান (1) সোমনাথ (1) স্বামী বিবেকানন্দ (1) স্বামীজী (1) হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্ম (1) হিন্দু জঙ্গি (1) হিন্দু ধর্ম (1) হিন্দু ধর্ম গ্রহন (1) হিন্দু বিরোধী মিডিয়া (1) হিন্দু মন্দির (1) হিন্দু শিক্ষার্থীদের মগজ ধোলাই (1) হিন্দুধর্মে পৌত্তলিকতা (1) হিন্দুরা কি পৌত্তলিক? (1) ১লা বৈশাখ (1) ১৯৭১ (1)

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

সর্বোচ্চ মন্তব্যকারী