জমি সংক্রান্ত
বিবাদের জের ধরে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় ঘাটপাড়া গ্রামে ২০টি হিন্দু
বাড়িতে হামলার পাশাপাশি ৭ টি মন্দিরে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় দুজন মুসলিম দুর্বৃত্তকে আটক করে পুলিশ ।
শনিবার
রাত সাড়ে নয়টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে । স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,
ঈদের দিন সাড়ে নয়টার
দিকে হঠাৎ ওই এলাকার ২০টি হিন্দু পরিবার এবং ৭টি উপাসনালয়ে আগুন ধড়িয়ে দেয়
দুর্বৃত্তরা। পার্বতীপুরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনের জন্য রওনা
হলে রাস্তায় রাস্তায় টায়ারে আগুন ধরিয়ে বাধা দেয় হিন্দু বাড়িতে অগ্নিসংগোকারীরা।
ফলে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস পৌছাতে দেরি হয় । এতে মন্দিরে থাকা দেবতার প্রতিমা,
ধর্মীয়
বই পুস্তুক আগুনে পুড়ে যায়। এরপর থেকেই ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো ছাড়াও অন্য সংখ্য
লঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে । এ ঘটানায় দুজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় এঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন পার্বতীপুরে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা
রাহীনুর রহমান । তিনি এইবেলাকে বলেন,
খবর পেয়ে আমি পুলিশ পাঠাই । ফায়ার সাভিস
সেখাকার আগুন নিয়ন্ত্রন করলে,
সেখানে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করার
ব্যবস্থা নিই । প্রশাসন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে । ক্ষতিগ্রস্থ
পরিবারগুলোকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এঘটনার পর পার্তীপুর থানার
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদুল আলম এইবেলাকে বলেন,
মুসলিম নেতা মোজাহের
আলীকে প্রধান আসামী করে ৩৬ জনের নামে মামলা করা হয়েছে । মোজাহের ও জাকির হোসেন নামের
দুজনক গ্রেফতারও করা হয়েছে । এদিকে এঘটনায় জাতীয় হিন্দু মহাজোট তীব্র নিন্দা
জানিয়েছেন। জাতীয় হিন্দু মহাজোটের রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি লক্ষন চন্দ্র বর্মন
শুক্রবার রাত্রেই ঘটনা শোনার পর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর খোজখবর রাখছেন এবং
প্রশাসনের নিকট সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেছেন ।
সূত্র

দাকোপের
আচাভুঁয়া
রুদীর
হিন্দুপাড়ায়
বসবাসরত
হিন্দু
ভূমিহীনদের
বাসগৃহ
থেকে
উচ্ছেদ,
মন্দির
ভেঙ্গে
ধর্মান্তরের
চেষ্টা
এবং
স্ট্যাস্পে
সই
করার
হুমকির
বিরুদ্ধে
আইনগত
ব্যবস্থা
গ্রহণের
দাবি
জানিয়ে
দাকোপ
উপজেলা
নির্বাহী
কর্মকর্তা
বরাবর
দরখাস্ত
করা
হয়েছে।
অভিযোগ
সুত্রে
জানা
যায়,
দাকোপ
উপজেলা
সদর
চালনা
আচাভঁয়া
গ্রামের
খ্রিস্টান
বিদেশি
সংস্থা
কর্তৃক
পুরাতন
পরিচালক
বর্ণালী
রুদী
ভূমিহীন,
ছিন্নমূল,অসহায়
দরিদ্র
২০টি
হিন্দু
পরিবারের
১৭৫
সদস্যের
জন্য
আচাভুঁয়া
এলাকায়
রুদীর
হিন্দু
পাড়া
নামক
স্থানে
স্থায়ীভাবে
গৃহ
নির্মাণ
করে
বসবাসের
ব্যবস্থা
করে
দেয়।
তারা
সেখানে
দীর্ঘ
১১/১২
বছর
বসবাস
করে
নিজেদের
মন্দির
স্থাপন
করে
হিন্দু
ধর্ম
পালন
করে
আসছেন।
কিন্তু
৪
জুলাই
সন্ধ্যায়
ইটালিয়ান
সংস্থার
আচাভঁয়া
এলাকায়
দায়িত্বরত
ফ্রাল্কা,
আলেক্স,
কালু,
পিউরো,
জীবন্ত
নাথসহ
৯
জন
বিবাদ
সৃষ্টিকারী
ব্যক্তি
একত্রে
তাদের
ধমীয়
পূজা
অর্চনা
ও
মন্দিরের
সংস্কারের
কাজে
বাঁধা
প্রদানসহ
মহিলাদের
সাথে
দুর্ব্যবহার
করে।
তারা
প্রকাশ্যে
হুমকি
প্রদান
করে
বলে
এ
পাড়ায়
কোন
প্রকার
পূজা
অর্চনা
করা
যাবে
না।
এখানে
থাকতে
গেলে
খ্রিস্টান
ধর্ম
গ্রহণ
করতে
হবে।
আমাদের
কথার
অবাধ্য
হলে
পাড়া
থেকে
উচ্ছেদ
করবো।
অভিযোগ
সূত্রে
আরো
জানা
যায়,
আগামী
১০
দিনের
মধ্যে
যারা
স্ট্যম্পে
সই
করে
খ্রিস্টান
ধর্ম
গ্রহণ
না
করবে
তারা
এখানে
থাকতে
পারবে
না।
এ
পাড়ায়
দ্রুত
খ্রিস্টান
ধর্মের
সাইনবোর্ড
টানানো
হবে।
তাছাড়া
বিগত
২০১২
সালে
৯
আগস্ট
বিবাদ
সৃষ্টিকারীরা
একই
মন্দিরে
ভাংচুর
ও
লুটপাট
চালায়।
ঘটনার
প্রতিবাদ
করলে
তাদেরকে
মারধর
করতে
উদ্যত
হয়।
পরিস্থিত
ভয়ংকর
রুপ
নিলে
তারা
ভয়ে
চালনা
পৌর
সভার
মেয়রসহ
গণ্যমান্য
ব্যক্তিদের
বিষয়টি
জানায়।
বর্তমান
ঘটনায়
উপজেলা
নির্বাহী
কর্মকর্তা
বরাবর
প্রতিকার
চেয়ে
ভুক্তভোগী
পরিবার
লিখিত
অভিযোগ
করেন।
তবে
এ
ব্যাপারে
ভুক্তভোগী
পরিবারসহ
এলাকার
সচেতন
জনগণ
বিভিন্ন
আইন
প্রয়োগকারী
সংস্থার
নিকট
দ্রুত
তদন্ত
পূর্বক
বিবাদ
সৃষ্টিকারীদের
বিরুদ্ধে
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণের
জোর
দাবি
জানিয়েছেন।
এ
ব্যাপারে
উপজেলা
নির্বাহী
কর্মকর্তা
মৃণাল
কান্তি
দে’র
কাছে
জানতে
চাইলে
তিনি
এ
প্রতিবেদককে
বলেন,
ভুক্তভোগী
পরিবারের
পক্ষ
থেকে
৫
জুলাই
লিখিত
অভিযোগ
পেয়েছি।
উভয়
পক্ষকে
নোটিশ
দিয়ে
শুনানী
শেষে
আইনগত
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হবে।
সূত্রঃ এইবেলা