শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন

শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন
অর্জুন তোমার আমার বহুবার জন্ম হয়েছে। সে কথা তোমার মনে নেই, সবই আমার মনে আছে।

Sunday, July 8, 2012

গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে হিন্দু বিরোধী মিডিয়ার অপপ্রচার


এক.

গুজরাট দাঙ্গার কথার নিশ্চয় সকলের মনে আছে। তথাকথিত সেকুলারিস্টরা এই দাঙ্গার কথাটাই যেখানে সেখানে প্রচার করে থাকে। ঘটনার সূত্রপাত যে গোধরা ট্রেন পোড়ানোর কাণ্ড থেকে সূত্রপাত সেটা তারা অনেকেই বলতে চান না বা স্বীকার করেন না। আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে । 

দাঙ্গা লাগিয়েছিল মুসলমানরাই। এনিয়ে আমার লেখাটি পড়ুন। 

হিন্দু বিরোধী মিডিয়া তিস্তা জাভেদ সিতলাবাদ এবং তেহেল্কার মিত্থাচার ছিল নরেন্দ্র মোদীই নাকি দাঙ্গা বাধিয়েছিলেন!!!!!!!!! 

গুজরাটের দাঙ্গায় গুলবার্গ সোসাইটিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি নিম্ন আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে বিশেষ তদন্ত দলকে (সিট) এ নির্দেশ দেওয়া হয়। 
টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ বলেন, ‘২০০২ সালে গুজরাটে দাঙ্গার ঘটনায় করা মামলাগুলোতে আমাদের আর কোনো পর্যবেক্ষণ নেই।’ সিটের প্রতিবেদনে মোদিকে কোনো দোষারোপ করা হয়নি। 

তখন মোদী টুইটার করলেন "GOD IS GREAT." মুসলিম তোষণকারী মিডিয়া বোধহয় মনক্ষুণ্ণ হলেন। 

বাংলাদেশের প্রথম আলো রিপোর্ট করলোঃ
 "২০০২ সালে গুজরাটের গোধরায় ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রায় ৬০ জন হিন্দু করসেবক নিহত হয়। এরপর রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই হাজারের বেশি মুসলমান নিহত হয়। " 

মিডিয়ার কী মিথ্যাচার। দাঙ্গাতে নাকি ২০০০ মুসলমান মারা গেছে। কোন হিন্দু মারা যায় নাই। 

১১ মে ২০০৫ এ কংগ্রেসের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিবেদন আসে, দাঙ্গাতে ৭৯০ মুসলিম ও ২৯৪ হিন্দু মারা যায়। 

সেসময়ের খবরের লিংক পড়ুন 

ভারতীয় মুসলিমদের দৈনিক মিল্লাত গেজেট ও টা প্রকাশ করেন 

খবরটা বিবিসিতেও আসে 

তাই যারা ২০০০ মুসলিমের মারা যাওয়ার খবর ছড়াচ্ছে তারা নির্লজ্জ মিথ্যুক। কেণো হিন্দু মারা জাওয়াড় খবর দেন না? আমরা সকল প্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে। সেটা যেই করুক। কিন্তু মিথ্যাচার হবে? মিথ্যাচারের জবাব আসে ২০০৮ এ যখন ভারতীয় জনতা পার্টি আবার গুজরাটের ক্ষমতায় আসে। 

সত্য মেভা জয়তে। 

দুই
.

দাঙ্গা নিয়ে মিথ্যাচার হল মুসলিমরাই নাকি শুধু দাঙ্গাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

একথা সত্য মুসলিমরা নির্মমভাবে নিহত হয়েছে নারুদা পটিয়া, গুলবার্গ সোসাইটি এবং সরদপুরে। কিন্তু তারাও নিরীহ ছিল না। মুসলমানরাই গধরাতে দাঙ্গা লাগিয়েছিল এবং মুসলমানরাও সমান ভয়ানক ছিল। মুসলমানরা হিন্দুদের নির্মমভাবে হত্যা করে হিমান্তানগর, দানিলিমদা ও সিন্ধী মার্কেট এলাকায়। 

IndiaToday এর খবর পড়ুন। 
৮,৯,১০,১৫ প্যারা পড়ুন। 

The Hindu রিপোর্ট করে মুসলিমরাই আহমেদাবাদে দাঙ্গা শুরু করে ছিল।
 

৯ম প্যারার শেষ লাইনটি পড়ুন। 

৪০০০০ হিন্দুকে তাদের বারি ছেড়ে মুসলিমদের ভয়ে পালাতে হয়। 

২৩ মার্চ ২০০২। 

মুসলিমরা ২০০২ এর ২৩ মার্চ রেভদি বাজারে ৫০ টি হিন্দু দোকান পুড়িয়ে ১৫ কোটি টাকার সম্পদ নস্ট করে। 

এখানে দেখুন
 

মুসলিমরা আহমেদাবাদের ১ ও ২ মার্চের দাঙ্গা লাগায়। এরা ১৫৭ টি স্থানে দাঙ্গা লাগায়। তারা পুলিশকে তাদের এলাকায় সন্ত্রাসী ধরতে ঢুকতে দেয় নাই। 

১৫ প্যারা পড়ুন 

বিভিন্ন রায়ে মুসলমানদের সাজা হওয়ার ঘটনা প্রমান করে এরাও দাঙ্গাতে জরিত ছিল যা বাংলাদেশের চোটটা মুসলমান মিডিয়া বলবে না। 

৯ দাঙ্গাবাজ মুসলমানের সাজা 

৭ দাঙ্গাবাজ মুসলমানের সাজা 

৪ দাঙ্গাবাজ মুসলমানের সাজা

তিন.
গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে হিন্দু বিরোধী মিডিয়ার অপপ্রচার হল শুধু মুসলমানরাই দাঙ্গাতে গৃহহীন হয়েছিল। 

২০০২ এর ৫ মার্চ হিন্দু বিরোধী টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া লিখেছিল মুসলিমদের জন্য ৮৫ টি এবং হিন্দুদের জন্য ১৩ টি ক্যাম্প খোলা হয়। আহমেদাবাদে ১০০০০ হিন্দু গৃহহীন হয়েছিল। এবং ২৫ এপ্রিলের ভিতর ১০০০০০ মুসলিম এবং ৪০০০০ হিন্দু গৃহহীন হয়। 

The Indian Express
অসহায় হিন্দুদের উপর দুটি রিপোর্ট করেছিল। ২০০২ এর সাত মে এবং দশ মে তারিখে। মুসলমানরা দলিত হিন্দুদের উপর হামলা করেছিল। হিন্দুদের মন্দিরে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। কারন গুজরাটে বিজেপি সরকার মুসলিমদের বাঁচাতে এতোই ব্যাস্ত ছিল যে তারা হিন্দুদের বাঁচাতে কিছুই করে নাই। 

এটা পড়ুন 

টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া ১৮ মার্চ ২০০২ তারিখে ”Riots hit all classes, people of all faith”। সেখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতন নিয়ে তারা লিখে। -”Contrary to popular belief that only Muslims have been affected in the recent riots, more than 10,000 people belonging to the Hindu community have also become homeless”. 

মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিন্দুদের উপর চলে অমানবিক নির্যাতন। 

এটা পড়ুন 

এটা পড়ুন মুসলিমরাই হিন্দুদের দোকান পুড়িয়ে ছিল

পাকিস্তানের দার্শনিক প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল রাম সম্পর্কে কি বলেছেন?





আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (জন্ম নভেম্বর ৯, ১৮৭৭; শিয়ালকোট, পাঞ্জাব - মৃত্যু: এপ্রিল ২১, ১৯৩৮) ছিলেন বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের মুসলিম কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ।তাঁর ফার্সি ও উর্দু কবিতাআধুনিক যুগের ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর নাম মুহাম্মদ ইকবাল হলেও তিনি আল্লামা ইকবাল হিসেবেই অধিক পরিচিত। আল্লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষাবিদ । তাঁর ফার্সি সৃজনশীলতার জন্য ইরানেও তিনি ছিলেন সমধিক প্রসিদ্ধ; তিনি ইরানে ইকবাল-ই-লাহোরী নামে পরিচিত।
তিনি রাম সম্পর্কে কি বলেছেন তার মুখেই শুনিঃ
All true knowledge/ philosophies are found in the land of India.
ভারতবর্ষে সকল শুদ্ধ জ্ঞান পাওয়া যায়
All Western philosophies have their roots in this great land!
সকল পশ্চিমা দর্শনের শিকড় আছে এই পুণ্য ভুমিতে।
It is because of great thinking, as high as sky, of Indians, this great country stands tall and remains unmatched.
ভারতীয়দের আকাশের মত প্রসারিত চিন্তাধারার জন্য আজ এই দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এবং অন্যদের থেকে আলাদা।
This country has produced thousands of great souls that equate angels in purity,and because of them, India’sname is famous all over the world.
এই ভূমি হাজারো পুণ্যাত্মা জন্ম দিয়েছেনযাদের পবিত্রতা ফেরেশতাদের সমতুল্য এবং তাদের জন্যই ভারতের নাম বিশ্বে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
We Indians are proud to have produced Ram, the onewho, according to divinely inspired souls, is the Hero of Indian soil and culture.
আমরা ভারতীয়রা রামের জন্য গর্বিত পুণ্যাত্মাদের মতে যিনি ভারতের ভুমি এবং সংস্কৃতির নায়ক।
The miracle of that great guide is that even the evening (downfall) of India isbrighter than morning of others!
এই মহানায়কের অলৌকিক কৃতিতে আজ ভারত তার সায়াহ্নে (পতনের দ্বারপ্রান্তে) অন্যদের সকালের চেয়েও উজ্জ্বল।
He was great warrior, fiercest in the battlefields.
তিনি ছিলেন এক মহান যোদ্ধা, যুদ্ধক্ষেত্রে রুদ্ররূপ।
His valor is unparalleled. Hispurity and love for others ismatchless.
তিনি বীরত্বে ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী । তিনি পবিত্রতা এবং অন্যদের প্রতি ভালবাসায় ছিলেন অসমতুল্ল।
_ Mohd Iqbal
_ মোহাম্মদ ইকবাল

বেদে সৃষ্টিতত্ত





সৃষ্টিতত্ত নিয়ে বেদ এর বিখ্যাত নাসাদিয় সুক্ত এবং হিরন্যগর্ভ সুক্ত এর কথা অনেকেই জানেন
।ধর্মবিশেষ জ্ঞ ও বিজ্ঞানী মহলে বহুল আলোচিত এই দুটি সুক্তের আলোকে সৃষ্টিতত্ত সংক্ষেপেআলোচনা করা হল-
ঋগবেদ ১০/১২৯/১
"নাসাদাসিস নঃ সদাসিত্‍..."

"শুরুতে কোন অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব ছিলনা।ছিলনা কোনবায়ুমন্ডল"

ঋগবেদ ১০/১২৯/৩

"তারহি ন রাত্র অহনা অস্তিপ্রতেকা"

"চারদিক ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। সমস্ত জিনিস একত্রে পুন্জীভুত ছিল।সেখান থেকে প্রচন্ড তাপের সৃষ্টি হল"

একইভাবে
ঋগবেদ ১০/১২১/১
"
হিরন্যগর্ভ সামাভরতাগ্রে.."
"
প্রথমেই হিরন্যগর্ভ সৃষ্টি হল"

ঋগবেদ ১০/১২১/৭
"
অপ হ য়দ বৃহাতিরিবিশ্বমা য়ান গর্ভ"
"
সেই হিরন্যগের্ভ ছিল উত্তপ্ত তরল যাতে ছিল সৃষ্টির সমস্ত বীজ"
একই ধরনের কথা বলছে শতপথ ব্রাক্ষ্মন ১১.১.৬.১

"
হিরন্যগর্ভানি অপঃ তে সলিলা..."
"
প্রথমে হিরন্যগর্ভ সৃষ্টিহল।সেখানে ছিল উত্তপ্ত গলিত তরল।এটি ছিল মহাশুন্যে ভাসমান।বছরের পরবছর এই অবস্থায় অতিক্রান্ত হয়।"

ঋগবেদ ১০.৭২.২
"
তারপর যেখানে বিস্ফোরন ঘটল গলিত পদার্থ থেকে,বিন্দু থেকে যেন সব প্রসারিত হতে শুরু হল"
ঋগবেদ ১০.৭২.৪
"
তার এক জীবনপ্রদ অংশ থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হল"
ঋগবেদ ১০.৭২.৩
"
সেই বিস্ফোরিত অংশসমূহ থেকে বিভিন্ন গ্রহ,নক্ষত্র তৈরী হল"
ঋগবেদ ১০.৭২.৮-৯
"
তারপর সৃষ্ট ক্ষেত্রে সাতধাপে সংকোচন-প্রসারন সম্পন্ন হল।তারপর সৃষ্টি হল ভারসাম্যের।"
এই অংশটুকু পরলেই স্পষ্ট বোঝা যায় বেদের সৃষ্টিতত্ত বর্তমান বিশ্বের বহুল আলোচিত বিগ ব্যাংগ তত্তের সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়।তাই বেদের সৃষ্টিতত্ত পড়ে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এর Dr.Kevin Hurley বলেছিলেন
"How could Aryan sages have known all this 6000 years ago,when scientists have only recently discovered this using advanced equipments which didn't exist that time!"
নমস্কার সবাইকে

Niloy Arya

Thursday, July 5, 2012

ভোলায় যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ করায় হিন্দু স্কুলছাত্রীর উপর এসিড নিক্ষেপ

অচিন্ত্য মজুমদার॥

টেবিলে বইয়া পড়তে পড়তে চোখে ঘুম আসে ,লাইট নিভাইয়া বিছানায় শুইয়া পড়ি হঠাৎ ঘুমের মইধ্যে মনে হইল আমার চোখ-মুখে গায়ে জ্বালাপোড়া করতাছে। আমি জ্বালাতন সইতে না পাইরা পুকুরে ঝাপাইয়া পড়ি,এর পর আমি কিছু কইতে পারিনা। জ্ঞান আহনের পর দেহি আমার মুখ আর শরীর পুইড়া কালা হইয়া গেছে। এসব কথা বলতে বলতে ভোলা সদর হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের ৮৭ নং বেডে চিকিৎসাধীন বিথিকা রানী দাস সীমা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার দড়ি চাঁদপুর গ্রামের ঘোষ বাড়ির হতদরিদ্র বাবুল চন্দ্র দাসের মেয়ে তজুমদ্দিন ফজিলেতুন্নেছা সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী বিথিকা রানী দাস সীমা (১৩)। বহু দিন ধরে স্থানীয় বেকারির ভ্যান ড্রাইভার সালাউদ্দিন  (২১) ও তার সহযোগী মিরাজ (২০) স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে তাকে যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন ভাবে উত্তপ্ত করত। ৪জুন বুধবার স্কুল থেকে আসার পথে একই ভাবে উত্তপ্ত করা শুরু করে। এসময় সীমার সহপাঠিরা একত্রিত হয়ে ওই দুই বখাটেকে প্রতিহত করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন রাতেই সালাউদ্দিন ও মিরাজ ঘুমন্ত সীমার মুখে এসিড ছুড়েছে বলে জানায় সীমা। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সালাউদ্দিন নামের এক বখাটেকে আটক করেছে। এসিড আক্রান্ত ছাত্রীর বাবা বাবুল চন্দ্র দাস জানান, ৪ জুলাই পড়াশুনা শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পরে সীমা। এই সুযোগে মিরাজ ও সালাউদ্দিন নামের স্থানীয় দুই বখাটে ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে সীমার গায়ে এসিড ছুড়ে মারে , মুহুর্তের মধ্যে চিৎকার দিয়ে সীমা পাশের পুকুরে ঝাপিয়ে পরে নিজেকে রক্ষা করে ।এসময় তার চিৎকারে পাশের ঘরের লোকজন এসে পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে রাত ৯টায় তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে ।পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। এদিকে, ভোলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শরীফ আহমেদ জানান, সীমার বর্তমানে অবস্থা আশংকা জনক। তাকে পর্যবেক্ষনে করা হচ্ছে, সীমার বাম চোখটি নষ্ট হতে পারে। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার করা হবে। এব্যাপারে, তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, এঘটনায় এসিড আক্রান্ত সীমার অভিযোগের ভিত্তিতে সালাউদ্দিন নামের এক ভ্যান চালককে আটক করা হয়েছে। অপরজনকেও আটকের চেষ্টা চলছে।

সত্যেন্দ্রনাথ বসু:হিগস-বোসন কণার জনককে ভুলে গেছে বিশ্ব





সুইজারল্যান্ডের ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সার্ন) গবেষকেরা ৪ জুলাই ঈশ্বর কণা বা হিগস-বোসন কণার অনুরূপ একটি কণার আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন
। এ কণার আবিষ্কারের উত্ফুল্ল বিজ্ঞানীরা স্মরণ করতেই ভুলে গেছেন বোসন কণা যাঁর নাম অনুসারে রাখা হয়েছিল, সেই বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে।
এক খবরে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কেবল ১৯৬০ সালে হিগস-বোসন কণার ধারণার প্রবর্তক পিটার হিগসকে নিয়েই উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বা উপেক্ষা করা হয়েছে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানকে।
বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর (১ জানুয়ারি ১৮৯৪—৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) গবেষণার ক্ষেত্র ছিল গাণিতিক পদার্থবিদ্যা। তিনি আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে যৌথভাবে ১৯২০ সালে বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান প্রদান করেন, যা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে বিবেচিত। 
সত্যেন্দ্রনাথ বসু বা সত্যেন বোসের এ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই কণার নামকরণ হয়েছিল ‘বোসন’ কণার। তিনি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার দাবিদারও ছিলেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিজ্ঞানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘোষণা সত্ত্বেও সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নাম আলোচনায় নেই। এমনকি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও এ বিষয়ে নীরব।
এ প্রসঙ্গে ভারতের সেন্টার ফল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক পি এম বারগাভা জানিয়েছেন, ‘আমি মনে করি এটা চরম উপেক্ষা। শুধু প্রথমবার এ ঘটনা ঘটল বিষয়টি এমন নয়।’
ভারতের সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের প্রধান সি এন আর রাও জানিয়েছেন, ‘ঐতিহাসিকভাবেই সত্যেন্দ্রনাথ বসু ভারত ও বিশ্বে উপেক্ষিত হয়ে আসছেন। তার কারণ, তিনি আপস করতেন না। আমার মনে আছে, তিনি জহরলাল নেহরুর সঙ্গেও কোনো একটি বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছিলেন। তিনি যদি যুক্তরাষ্ট্র বা বাইরের কোনো দেশের হতেন, তবে তিনি অবশ্যই আরও বেশি জনপ্রিয় হতে পারতেন।’
১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার জন্মগ্রহণ করেন বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু। ১৯১৩ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতক হন এবং ১৯১৫ গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপরই তিনি কলকাতায় শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গবেষণাও শুরু করেন তিনি। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে রিডার হিসেবে যোগ দেন। ১৯২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা কালে তিনি ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কাজ শুরু করেন। বিজ্ঞানী বসু 'Max Planck's Law এবং Light Quantum Hypothesis' এর উপর একটি নিবন্ধন লিখেন এবং পরে তিনি তা জার্মান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের কাছে পাঠান । বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এটা পরে এতই উচ্ছসিত হনযে তিনি পরবর্তিতে এটিকে জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং জার্মানির বিখ্যাত গবেষণাধর্মী জার্নাল 'Zeitschrift fur Physik' তে প্রকাশ করেন । প্রকাশিত 'হাইপোথিসিস' টি বিজ্ঞানীদের দ্বারা উচ্ছসিত প্রশংসা লাভ করে যা পরবর্তিতে পরিণত হয় বিখ্যাত 'বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব' হিসেবে । ১৯২৭ সালে তিনি আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে এসেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ছিলেন তিনি। ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেছেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। এরপর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার একটি ছাত্র হল-এর নামকরণের জন্য সত্যেন বোসের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। বলাবাহুল্য, তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো স্থাপনার নাম অবৈজ্ঞানিক ব্যক্তিদের নাম; বিশেষত, সুফী সাধকদের নামে । মোটামুটি এই একটি প্রবণতা থেকে বোঝা যায়, আমাদের কাছে কারা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশিদের দোষ দেওয়ার আগে একটু নিজেদের ছুরোতখানার দিকে তাকানো দরকার!

Labels

বাংলা (170) বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন (22) ethnic-cleansing (17) ভারতীয় মুসলিমদের সন্ত্রাস (17) islamic bangladesh (13) ভারতে হিন্দু নির্যাতন (12) : bangladesh (11) হিন্দু নির্যাতন (11) সংখ্যালঘু নির্যাতন (9) সংখ্যালঘু (7) আরব ইসলামিক সাম্রাজ্যবাদ (6) minority (5) নোয়াখালী দাঙ্গা (5) হিন্দু (5) hindu (4) minor (4) নরেন্দ্র মোদী (4) বাংলাদেশ (4) বাংলাদেশী মুসলিম সন্ত্রাস (4) ভুলে যাওয়া ইতিহাস (4) love jihad (3) গুজরাট (3) বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন (3) বিজেপি (3) ভারতে অনুপ্রবেশ (3) মুসলিম বর্বরতা (3) হিন্দু নিধন (3) George Harrison (2) Julia Roberts (2) List of converts to Hinduism (2) bangladesh (2) কলকাতা (2) গুজরাট দাঙ্গা (2) বাবরী মসজিদ (2) মন্দির ধ্বংস (2) মুসলিম ছেলেদের ভালবাসার ফাঁদ (2) লাভ জিহাদ (2) শ্ত্রু সম্পত্তি আইন (2) সোমনাথ মন্দির (2) হিন্দু এক হও (2) হিন্দু মন্দির ধ্বংস (2) হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা (2) Bhola Massacre (1) English (1) april fool. মুসলিম মিথ্যাচার (1) converted hindu celebrity (1) converting into hindu (1) dharma (1) facebook (1) gonesh puja (1) gujrat (1) gujrat riot (1) jammu and kashmir (1) om (1) religion (1) roth yatra (1) salman khan (1) shib linga (1) shib lingam (1) swami vivekanada (1) swamiji (1) অউম (1) অক্ষরধাম মন্দিরে জঙ্গি হামলা ২০০২ (1) অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী (1) অর্পিত সম্পত্তি আইন (1) আওরঙ্গজেব (1) আদি শঙ্কর বা শঙ্করাচার্য (1) আর্য আক্রমণ তত্ত্ব (1) আসাম (1) ইতিহাস (1) ইয়াকুব মেমন (1) উত্তরপ্রদেশ (1) এপ্রিল ফুল (1) ওঁ (1) ওঁ কার (1) ওঁম (1) ওম (1) কবি ও সন্ন্যাসী (1) কাদের মোল্লা (1) কারিনা (1) কালীঘাট মন্দির (1) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (1) কৃষ্ণ জন্মস্থান (1) কেন একজন মুসলিম কোন অমুসলিমের বন্ধু হতে পারে না? (1) কেন মুসলিমরা জঙ্গি হচ্ছে (1) কেশব দেও মন্দির (1) খ্রিস্টান সন্ত্রাসবাদ (1) গনেশ পূজা (1) গুজরাটের জঙ্গি হামলা (1) জাতিগত নির্মূলীকরণ (1) জামাআ’তুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (1) জেএমবি (1) দেশের শত্রু (1) ধর্ম (1) ধর্মযুদ্ধ (1) নবদুর্গা (1) নববর্ষ (1) নালন্দা (1) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (1) নোয়াখালি (1) পঞ্চ দেবতার পূজা (1) পহেলা বৈশাখ (1) পহেলা বৈশাখ কি ১৪ এপ্রিল (1) পাকিস্তানী হিন্দু (1) পূজা (1) পূজা ও যজ্ঞ (1) পূজার পদধিত (1) পৌত্তলিকতা (1) ফেসবুক (1) বখতিয়ার খলজি (1) বরিশাল দাঙ্গা (1) বর্ণপ্রথা (1) বর্ণভেদ (1) বলিউড (1) বাঁশখালী (1) বিহার (1) বুদ্ধ কি নতুন ধর্ম প্রচার করেছেন (1) বৈদিক ধরম (1) বৌদ্ধ দর্শন (1) বৌদ্ধ ধর্ম (1) ভারত (1) মথুরা (1) মরিচঝাঁপি (1) মানব ধর্ম (1) মিনি পাকিস্তান (1) মীরাট (1) মুক্তমনা (1) মুক্তিযুদ্ধ (1) মুজাফফরনগর দাঙ্গা (1) মুম্বাই ১৯৯৩ (1) মুলতান সূর্য মন্দির (1) মুলায়ম সিং যাদব (1) মুসলিম তোষণ (1) মুসলিম ধর্ষক (1) মুসলিমদের পুড়ে মারার ভ্রান্ত গল্প (1) মুহাম্মদ বিন কাশিম (1) মূর্তি পুজা (1) যক্ষপ্রশ্ন (1) যাদব দাস (1) রথ যাত্রা (1) রথ যাত্রার ইতিহাস (1) রবি ঠাকুর ও স্বামীজী (1) রবি ঠাকুরের মা (1) রবীন্দ্রনাথ ও স্বামীজী (1) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1) রিলিজিওন (1) রুমি নাথ (1) শক্তিপীঠ (1) শঙ্করাচার্য (1) শিব লিংগ (1) শিব লিঙ্গ (1) শিব লিঙ্গ নিয়ে অপপ্রচার (1) শ্রীকৃষ্ণ (1) সনাতন ধর্ম (1) সনাতনে আগমন (1) সাইফুরস কোচিং (1) সালমান খান (1) সোমনাথ (1) স্বামী বিবেকানন্দ (1) স্বামীজী (1) হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্ম (1) হিন্দু জঙ্গি (1) হিন্দু ধর্ম (1) হিন্দু ধর্ম গ্রহন (1) হিন্দু বিরোধী মিডিয়া (1) হিন্দু মন্দির (1) হিন্দু শিক্ষার্থীদের মগজ ধোলাই (1) হিন্দুধর্মে পৌত্তলিকতা (1) হিন্দুরা কি পৌত্তলিক? (1) ১লা বৈশাখ (1) ১৯৭১ (1)

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

সর্বোচ্চ মন্তব্যকারী